The best Side of ma chele choti
The best Side of ma chele choti
Blog Article
আমি- মা এবারে ফসল হলে তোমাকে আর একটুও দুঃখ করতে হবে না।
আমি- লুঙ্গি পরা আমার বাঁড়া দারিয়ে খাঁড়া হয়ে গেছে মায়ের দু পায়ের খাঁজে গুত দিচ্ছে।
(এই গল্পটি আমার আগের গল্প 'নিয়তি'র একটি সিকুয়েল। তাই বেশী ডিটেলে বিবরণে যাচ্ছি না। দরকার হলে আগের গল্পে বিবরণ দেখে নিতে পারেন।) চায়ের আড্ডাটা আজ আবার বেশ জমে উঠেছে। সদস্য সেই তিন জন- ইন্সপেক্টর রমেন ...
আমি- হ্যাঁ মা সত্যি তাই, মা ছাগল কি করে হয় নিজের ছেলের সাথে হতে পারে ওরা বোঝেনা।
আমি- মা অনেক সখ থাকে সেটা আমাকে বলতে পারতে।
মা- যা মিথ্যে বলছিস আমি এত সুন্দর। এর আগে তো বলিস নি। মা ছেলের সংসার
_ " দেখি দেখি সবাই একটু সরে যান দেখি। ক্রাইম স্পটে কেউ আসবেন না। আর লাশ নিয়ে কেউ ছেরখানি করেননি তো ?
আমি ও মা গেলাম, মা ছাই নিয়ে গেল আমি ধরলাম ৩ টে বাচ্চা হল দুটো পাঁঠা এবং বাংলা চটি একটা ছাগল। গরম জল দিয়ে স্নান করিয়ে ওদের রেখে আমরা ঘরে এলাম তখন সকাল হয়ে গেছে।
মা- আরে না সে আমি জানি কিছু সমস্যা হয় না, তুই জানতি না।
মা- জ্যন্ত সময় দেখতে ভাল লাগছিল এখন কেন যেন ভালো লাগছে না।
আমি- মা আমি তো তোমাকে আরামই দিতে চাই সব সময়। তোমার কেমন দিলে আরাম লাগে বলবে আমি দেব।
আমি- তুমি আমি দুজনে মিলে ধরব। বলে দুজনে বাড়ির ভেতরে এলাম। কিছুক্ষণ পর জাল বের করলাম। আমি গামছা পড়ে নিলাম মা আমার সাথে পুকুর পারে গেলেন। আমি জাল নিয়ে নামলাম, পুকুরে পানা আছে কিছু। মাকে এক পাস ধরতে বললাম আমি অন্য পাশ নিয়ে টেনে আনলাম। মা ও একদম ভিজে গেছে আর আমি তো ডুব দিয়েছি। জাল টেনে নিয়ে মায়ের কাছে আসতে আমার ভেজা মাকে দেখে আমার অবস্থা আরও কাহিল।
মা- হ্যাঁ হবে এরকম হলেই হবে। বেশী বড় ভালনা মাঝারী সাইজে সাধ বেশী।
মা- একটু পড়ে ১ ঘণ্টা পড়ে না হলে ভালো হবেনা সবে মাত্র করল। একটু সময় দিতে হবে।